কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন- এবারের নির্বাচন জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নিয়ে আশার সঞ্চার হয়েছে নাগরিকদের মধ্যে। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কোনো আশঙ্কা নেই। গণমাধ্যম ও টক-শো যারা করেন, তারা নানা সময়ে আশঙ্কার কথা বলেন।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) রোববার সন্ধ্যায় সিলেট মহানগরের এয়ারপোর্ট রোডের একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতিবিনিয়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আরও বলেন- নির্বাচনের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। আগে যারা নির্বাচনবিরোধী ছিলো, তারা অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনের বাঁধাগুলো দূর হচ্ছে। সকলের সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচন করবে।
তিনি বলে- মবক্রেসি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেয়। এটা থেকে বের হতে হবে। সুশাসন, ন্যায়বিচার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চান মানুষ। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি সমস্ত মানুষের প্রচেষ্টার গড়ে উঠে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন- ২/১ দিনের মধ্যেই তারেক রহমান দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিবেন আশা করি। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া পরপরই তিনি সিলেটে আসবেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন- মাত্র কয়েকটি আসনে আমরা বিকল্প প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছি। যে প্রার্থীর জন্য আইনি জটিলতার সন্দেহ ছিলো, সেই আসনে আরেকজনকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। এটা কোনো সমস্যা না।
এর আগে শনিবার বিকাল ৩টা ১৭ মিনিটে ইউএস বাংলার একটি (UBG-535) ফ্লাইটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করেন। পরে বাদ আসর তিনি সিলেটের হযরত শাহজালাল ও শাহপরাণ রাহ.-এর মাজার জিয়ারত করেন।
সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে রাতেই তিনি আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে সিলেট ছাড়েন। সিলেটে এটি তাঁর ব্যক্তিগত সফর ছিলো।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- সিলেট-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেট-৩ আসনের প্রার্থী এম এ মালেক, সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদি, সিলেট-৬ আসনের দলীয় প্রার্থী ও জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।