বালুচরে ফাহিম হ ত্যা, কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার ‘খু নি’

কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :

সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন বালুচর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মো. ফাহিম হত্যা মামলার আরেক আসামিক গ্রেফতার করেছে র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍‍্যাব)-৯।

রবিবার দিবাগত (৫ জানুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানাধীন কালাকান্দি বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আলী হোসেন মাইল্লা (৩৩) সিলেট মহানগরের উত্তর বালুচর জোনাকী আবাসিক এলাকার মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে।

এসব তথ্য জানিয়েছেন র‍‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।

র‍‍্যাব জানায়, হত্যার শিকার মো. ফাহিম শাহপরাণ থানাধীন ছড়ারপাড় এলাকার বাসিন্দা মো. হারুন রশিদের ছেলে। কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে গত ১০ নভেম্বর বিকালে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয় ফাহিম। তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন রাতে ফাহিমের মৃত্যু হয়।  

এ ঘটনায় পরে তার বাবা বাদী হয়ে সিলেটের শাহপরাণ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‍‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং ১০ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ২টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জ সদর থানাধীন লোকরা ইউনিয়নের কাশিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামি আলম খান (৩২)-কে গ্রেফতার করে। 

পরে ২৬ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন টুকেরবাজার এলাকার মন্টু মিয়ার বাড়ি থেকে ফাহিম (২৮) নামে আরেক আসামিকে গ্রেফতার করে র‍‍্যাব। তিনি সিলেেটের শাহপরাণ থানাধীন বালুচর এলাকার আবুল কালামের ছেলে।

এবার কুমিল্লা থেকে তৃতীয় আসামি আলী হোসেন মাইল্লাকেও গ্রেফতার করলো একই বাহিনী। 

কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানিয়েছেন, তাকে গ্রেফতারে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।