কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :
অনেক নাটকীয়তা শেষে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জামায়াত নেত্বত্বাধীন ১১ দলীয় ‘জোট’র আসন বণ্টণ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরও ইসলামি আন্দোলনের সঙ্গে ও কিছু আসন নিয়ে বোঝাপড়া কিংবা অমীমাংসা রয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে প্রেস ব্রিফিং করে জোটের ১০টি দলের প্রার্থিতা ঘোষণা করেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তবে আসনভিত্তিক দল বা প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
সমঝোতা অনুযায়ী- জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়ে লড়াই করবে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) লড়াই করবে ৩০টি আসনে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৩, নেজামে ইসলাম ২ ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২ আসনে প্রার্থী দিয়ে লড়াই করবে।
এদিকে, একটি সূত্র জানিয়েছে- সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের মেধ্যে ১০টিতে প্রার্থী দেবে জামায়াত। বাকি ৯টি আসন অন্য শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে।
তবে সিলেট বিভাগে একটি আসনও পায়নি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দানকারী বিপ্লবীদের দল এনসিপি। যদিও দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- সিলেট-১ ও সিলেট-৩ আসনের যে কোনো একটিতে এনসিপি প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে এখনো আলোচনা চলছে।
এনসিপি’র কেন্দ্রীয় আহব্বায়ক কমিটির সদস্য ও সিলেট-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে কওমি কণ্ঠকে মুঠোফোনে জানান- সিলেট-১ অথবা সিলেট-৩; যে কোনো একটি চাচ্ছি আমরা। বিষয়টি অখনো অমীমাংসিত। জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
জানা গেছে, জামায়াতের ভাগে নেওয়া সিলেট বিভাগের আসনগুলো হলো- সিলেট-১ (সিলেট সদর উপজেলা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন), সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা), সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা), সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা), সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা উপজেলা), সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা), সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা), মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা), মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া উপজেলা) ও হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলা)।