কওমি কণ্ঠ ডেস্ক :
সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়ক, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক, সিলেট-জকিগঞ্জ সড়ক, সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সড়ক, মোগলাবাজার- ঢাকাদক্ষিণ সড়ক, মোগলাবাজার-জালালপুর সড়ক, মোগলাবাজার শায়খে রেঙ্গা-আনিলগঞ্জ সড়ক, খালোরমুখ-বৈরাগী বাজার-লালাবাজারসহ সবক'টি সড়কে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। এছাড়া গ্রামীণ পাকা সড়কগুলোর অবস্থা আরও নাজুক। সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসলেও কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছেন। ফলে এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ সড়কগুলো দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। যানবাহন চলাচলের সময় গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার পাশাপাশি যানবাহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। সড়ক দিয়ে রোগী বহনকারী যানবাহন বিভিন্ন জায়গায় আটকা পড়ে সঠিক সময় চিকিৎসা নিতে পারছে না।
সড়কগুলো সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন মানববন্ধন,সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সড়কগুলো সংস্কার না করায় প্রায়ই বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটে প্রাণহানিসহ হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এতে এই অঞ্চলের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ফুসে উঠছে। জরুরিভিত্তিতে সড়কগুলো সংস্কার করা না হলে মানুষের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করবে।
কয়েকটি সড়ক সড়ক ও জনপদ বিভাগের ও কয়েকটি সড়ক স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আওতাধীন থাকলেও দুই বিভাগের কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। ফলে দিনদিন সড়কগুলোর বেহাল দশা ব্যাপক আকার ধারণ করছে। আর মানুষের ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে সড়কগুলোর দুই পাশে পাহাড়ের মতো জঙ্গল সৃষ্টি হওয়ায় সড়কগুলোর দুই পাশ সংকীর্ণ হওয়ায় যাতায়াতকারী পথচারী, শিক্ষার্থীসহ লোকজনকে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছেন।