আবু মুসা আল আশআর (রাযি.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মুমিন আল কুরআন মাজীদ পাঠ করে তার উদাহরণ হলো কমলালেবু যা স্বাদে ও গন্ধে উত্তম। আর যে মুমিন আল কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো খেজুর যার সুগন্ধ না থাকলেও স্বাদে মিষ্ট। আর যে মুনাফিক আল কুরআন পাঠ করে তার উদাহরণ হলো রায়হানাহ ফুল যার সুগন্ধি আছে এবং স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক আল কুরআন পাঠ করে না তার উদাহরণ হলো হানযালাহ (মাকাল) যার কোনো সুগন্ধি নেই এবং স্বাদও খুব তিক্ত। (সহিহ মুসলিম হাদিস নং ১৭৪৫)
আয়িশাহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কুরআন সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তি ঐসব মালাকগণের সাথে থাকবে যারা আল্লাহর অনুগত, মর্যাদাবান এবং লেখক। আর যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং তার জন্য কষ্টকর হওয়া সত্ত্বেও বারবার পড়ে সে ব্যক্তির জন্য দুটি পুরস্কার নির্দিষ্ট আছে। (সহিহ মুসলিম হাদিস নং ১৭৪৭) ওয়াকী বর্ণিত হাদিসে এ কথাটি আছে ‘আর যে ব্যক্তি তার জন্য কঠোর ও কষ্টকর হওয়া সত্ত্বেও কুরআন তিলাওয়াত করে তার জন্য দুটি পুরস্কার আছে।’ (সহিহ মুসলিম হাদিস নং ১৭৪৮)
শিক্ষা : কোরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব অনেক বেশি এবং ফজিলতও অসংখ্য। কোরআন তিলাওয়াতের প্রতি অক্ষরে কমপক্ষে দশ নেকি মেলে। কারো জন্য যদি কোরআন তিলাওয়াত করতে কষ্ট হয়, তবুও সে কষ্ট করে পড়তে থাকে তাহলে আল্লাহ তায়ালা তাকে বিশেষ দুটি পুরস্কার দিবেন।