কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার, সুনামগঞ্জ :
তালহা আলম। ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশের নেতা। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে অভিমানে যোগ দিলেন এববি পার্টিতে। তবে সুনামগঞ্জ- ৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে এবি পার্টিতে যোগ দেওয়া এই নেতার সঙ্গে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গেলেন তার সদ্যসাবেক অর্থাৎ- জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতারা।
রবিবা (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় জমিয়তের সদস্য ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সভাপতি হাফিজ হোসেন আহমেদ এবং জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতি হাফিজ সৈয়দ ওযায়রুল হকের নেতৃত্বে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়।
গত মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের হাতে ফরমপূরণ করে জমিয়ত ছেড়ে এবি পার্টিতে যোগ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, জমিয়ত নেতৃবৃন্দের অনুমতিতেই তালহা এবি পার্টিতে যোগ দেন। তিনি জমিয়তের মুফতি ওয়াক্কাস গ্রুপের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহে যুক্ত জমিয়ত নেতা কেন্দ্রীয় সদস্য এবং জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা হোসেন আহমেদ জানান, তারা আসন্ন নির্বাচনে সৈয়দ তালহা আলমের পক্ষে মাঠে কাজ করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তার নির্বাচনি কমিটিতে দায়িত্ব পালন করবেন। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তারা ভোটার সংযোগ, সাংগঠনিক সমন্বয় ও প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। আজকেও তারা কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং জেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আব্দুস শহীদ জামলাবাদী সাহেবের নির্দেশে এসেছেন।
মনোনয়ন পত্র সংগ্রহে এসে সুনামগঞ্জ জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি এবং জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতি হাফিজ সৈয়দ ওযায়রুল হক বলেন, সৈয়দ তালহা আলম আমাদের কাছে একজন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা নন তিনি আমাদের ভাই। দল পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু আমাদের সম্পর্ক ও বিশ্বাস অটুট। আন্দোলন সংগ্রাম থেকে ৫ আগস্টের পর আমরা মিলেমিশে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি আগামীতেও করবো।
এবি পার্টির জগন্নাথপুর উপজেলার নেতা আলী আসগর ইমন বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। জনতার চেয়ারম্যান তালহা আলমের সাথে তার বর্তমান দল এবি পার্টি। সাবেক দল জমিয়ত এবং দলমতের ঊর্ধে হাজার কর্মী নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত।