এয়ারপোর্ট থানার ওসি কার ‘এজেন্ট’?

কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির আলীর বিরুদ্ধে একটি দলের পক্ষে কাজ করার  গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে অভিযোগ খতিয়ে দেখছে এসএমপি কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সিলেট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযোগের অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছেও পাঠানোর কথা জানিয়েছেন রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে- ‘আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা লক্ষ করছি সিলেট মেট্রোপলিটনের আওতাধীন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মুবাশ্বের আলী নানাভাবে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি করে আমাদের প্রার্থীর স্বাভাবিক প্রচার–প্রচারণায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন। তিনি অন্য একজন প্রার্থীর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এমতাবস্থায় ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনে অত্র থানার এলাকাধীন ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।’

এ বিষয়ে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ‘এই কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানায় যোগদানের পর থেকে একের পর এক পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে আসছেন। সেটি আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তা, মহানগর পুলিশ কমিশনারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। পাশাপাশি প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবকেও অবহিত করেছি।’

তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন- ‘বিএনপির অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তের জন্য অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মোঃ আফজাল হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’