কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা। সিলেট-২ আসনে সরাসরি সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া তিনিই প্রথম নারী প্রার্থী।
শুরুর দিকে মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির বর্তমান যুগ্ম মাহাসচিব হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে কিছুটা দ্বিধা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় ঘোষণার পর এর অবসান হয়। এবারের সংসদ নির্বাচনে ইলিয়াস আলীর ইমেজ ও আবেগকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি মাঠে অনেকটা অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে রয়েছেন তাহসিনা রুশদীর লুনা।
এবারের নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত বলে অনেকটা আশাবাদি লুনা ও তার নেতাকর্মীরা। এমনটাই সভা সমাবেশে দাবি করছেন তারা। তবে নির্বাচনি মাঠে অবহেলা না করে তাদের পক্ষ থেকে ভোটারদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
কিন্তু ভোটের মাঠে লুনার পরে দ্বিতীয় শক্তিশালী প্রার্থী কে?
বেশ কয়েকটি দল এ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও এ ক্ষেত্রে আলোচনায় রয়েছেন খেলাফত মজলিস ও জামায়াত প্রার্থী।
সিলেট-২ আসনে খেলাফত মজলিস থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী। তাঁর দলের প্রতীক ঘড়ি।
জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, প্রতীক দাঁড়িপাল্লা।
ভোটের মাঠে একটি প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে- এই দুজনের একজন হবেন বিএনপির মনোনীত শক্তিশালী প্রার্থী লুনা’র প্রতিদ্বন্দ্বী। মুহাম্মদ মুনতাসির আলী ও অধ্যাপক আব্দুল হান্নান নির্বাচনী মাঠে সমানতালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থী দলের যুগ্ম-মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বলেন- আন্দালনরত ৮ দল একটি সমঝোতার নির্বাচন করবে। আমি যেহেতু খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় একজন দায়িত্বশীল, সেহেতু সমঝোতার বিষয়ে ৮ দল থেকে প্রার্থিতা পাওয়া এবং বিজয় নিয়ে আমি পূর্ণ আশাবাদী।