কওমি কণ্ঠ ডেস্ক :
সিলেট-৬ আসনে (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবজার) বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন- তারেক রহমানের সফরের পর নতুন উদ্যমে দলীয় নেতাকর্মীরা ভোটের মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবজারে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে এখন সবাই একাট্টা।
বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার দিনে (২২ ও ২৩ জানুয়ারি) গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন স্থানে পথসভা, উঠানবৈঠক , গণসংযোগ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এমরান চৌধুরীর সমর্থনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ানীবাজারের দুবাগ ইউনিয়নের সাদিমাপুর বাজারে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ, শুক্রবার সকাল ৯টায় গোলাপগঞ্জের ডেপুটি বাজারে পথসভা, পরে শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুরে প্রবাসী শুক্কুর আলীর বাড়িতে উঠানবৈঠক, বেলা ১১টায় ইসলামপুর বাজারে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ, পরে স্থানীয় রাংজিয়ল গ্রামের নজিব আলীর বাড়িতে উঠানবৈঠক এবং পৌনে ১২টায় স্থানীয় ইউপি মহিলা সদস্য সকিয়া বেগমের বাড়িতে মহিলা সমাবেশ।
পরে শান্তিরবাজার জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় করেন এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। নামাজ শেষে মুসল্লি ও স্থানীয় জনতার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। পরে বেলা আড়াইটায় জামিরা চুয়ারকান্দি গ্রামে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।
এসব অনুষ্ঠানে এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন- গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে রাস্তাঘাটের সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পিতভাবে করা হবে। যাতে আগামী কয়েক প্রজন্ম এর সুফল ভোগ করতে পারে। এই দুই উপজেলা ঘিরে দুইটি নদী রয়েছে- সুরমা ও কুশিয়ারা। নদীভাঙন রোধ প্রকল্পের মাধ্যমে পারগুলোকে পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শিক্ষার মানোনয়ন্ননে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের সেবা দিতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ২৪ ঘণ্টা ডাক্তারের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন- ১৯৯২ সালে এমসি একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের ঘরে ঘরে গ্যস সংযোগ দেওয়ার। কিন্তু পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার সেটি হতে দেয়নি। আগামীর প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছ থেকে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের জনগুরুত্বপূর্ণ এই দাবি আদায় করবো।
এমরান আহমদ চৌধুরী প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন- স্থানীয় উন্নয়ন করতে আমি অঙ্গীকারাবদ্ধ। নির্বাচনে জয়লাভ করলে দলীয় নেতাকর্মী এবং প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিদের নিয়ে সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবো। থাকবে না কোনো ভেদাভেদ, কোনো লুকোচুরি। সরকারি প্রতিটা প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন হবে ইনশা আল্লাহ।
অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে জেলা এবং গোলাপঞ্জ-বিয়ানীবাজারের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।