কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন- সিলেটের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের অভাব। এ সমস্যা নিরসনে আইটি খাতের বিকাশ ঘটানো হবে। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কো-ওয়ার্কিং জোন স্থাপন, তাদের আয় সহজে দেশে আনার ব্যবস্থা এবং কাজের সুবিধার্থে দ্রুতগতির ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সিলেট সদর উপজেলার সাত ইউনিয়নে সাতটি খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি নগরবাসীর হাঁটার সুবিধার্থে শহরের কেন্দ্রে একটি পার্ক নির্মাণ করা হবে।
গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেট সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন- সিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সুরক্ষা রক্ষায় আমি নিরন্তর কাজ করে যাবো। আমাদের সম্প্রীতি ও বন্ধন আরও দৃঢ় ও বিকশিত করতে হলে চিন্তা, চেতনা ও চর্চায় অধিকতর ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি দূরের কেউ নই, আপনাদেরই একজন। আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে ও সমস্যায় আমাকে সবসময় পাশে পাবেন। সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হওয়া সাময়িক বিষয়; আমি মানুষ হিসেবে এবং দলীয় কর্মী হিসেবে সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব।’
মতবিনিময় সভায় বক্তাদের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন- ‘মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, প্যাগোডা ও গির্জাসহ সিলেটকেন্দ্রিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই আপনারা আমাকে সংসদে পাঠিয়েছেন। তাই এসব বিষয়ে আলাদা করে দাবি জানানোর প্রয়োজন নেই- সমস্যাগুলোর সমাধান এমনিতেই করা হবে।’
চা-বাগানের এক স্কুলশিক্ষিকার বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করার দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনার কষ্ট হয়তো আপনার মতো করে না হলেও আমার মতো করে বুঝি ও অনুভব করি। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র চার দিন। নতুন করে বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমি আশ্বস্ত করছি, বাগানকেন্দ্রিক স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো সমস্যার সমাধান করা হবে।’
মতবিনিময় সভায় মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।