সিলেট-৩ : যে ‘ট্রাম কার্ড’ মোস্তাকিম রাজার হাতে

কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :

আর মাত্র ২৫ দিন। সব ঠিক থাকলে আগামী মাসের (ফেব্রুয়ারি) ১২ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। 

জেলার ৬টির মধ্যে সিলেট-৩ আসন অনেক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আসনটিতে প্রার্থী রয়েছেন বিএনপি, জামায়াত, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এনসিপি, জাতীয় পার্টি ও ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন দুজন। সিলেট-৩ আসনে প্রবাসী মইনুল বাকর এবং দৈনিক পুণ্যভূমি পত্রিকার প্রকাশক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী। তবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে এ দুজনের মনোনয়নত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে ইতোমধ্যে ইলেকশন কমিশনে আপিল করে ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আর প্রবাসী মইনুল বাকরের আপিল শোনানির দিন ১৮ জানুয়ারি ধার্য্য করেছে ইসি। 

এদিকে, ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় শুরু হয়েছে সিলেট-৩ আসনে ভোটের নতুন হিসাব-নিকাশ।

সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান- ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরীর বাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায়। ফলে নিজ উপজেলায় তাঁর একটি নিজস্ব ভোট-ব্যাংক রয়েছে। এখানে রাজনৈতিক দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ভোটাররা তাকে ভোট দিতে পারেন। এই উপজেলার বাসিন্দা আর কোনো প্রার্থী নেই। বিপরীতে বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমায় একাধিক প্রার্থী রয়েছেন।

এছাড়া গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তিনি সাহায্য-সহযোগিতা করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। অনেক উন্নয়নকাজও পরিচালনা করেছেন বিভিন্ন এলাকায়। আগামীতেও এমন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মনোভাব রয়েছে মোস্তাকিম রাজা চৌধুরীর।

সাধারণ ভোটাররা আরও বলছেন- বিএনপিতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে রয়েছে মনোমালিন্য। জামায়াত নেতাত্বধীন ১০ দলীয় ‘জোটেও’ নেই স্বস্তি। ফলে তৃণমূলের ভোটারদের সমাজসেবী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাকিম রাজা চৌধুরীকেই বেছে নেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।