কওমি কণ্ঠ ডেস্ক :
একঝাঁক তরুণ-যুবক। বাইসাইকেলে চড়ে চষে বেড়াচ্ছেন সিলেট-৩ আসনের ৩টি উপজেলা- দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের পথে-প্রান্তরে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে, প্রতিটি বাড়ির উঠোনে। চাওয়া একটাই- ‘সজ্জন, প্রতিশ্রুতিশীল ও কাজের মানুষ’ মইনুল বাকরের কম্পিউটার প্রতীকে একটি ভোট।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী মইনুল বাকরের ‘সাইকেল টিম’ এটি। পরিবেশবান্ধব এমন প্রচারণার জন্য সিলেট-৩ আসনের মানুষের নজর কেড়েছেন এই প্রার্থী।
প্রকৌশলী মইনুল বাকর। বাড়ি সিলেট-৩ আসনের বালাগঞ্জ উপজেলার বোয়ালজুড় ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। সেখানে উচ্চশিক্ষা শেষে আইটি খাতে নিজের ব্যবসা গড়ে তোলেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্য ও মিশরে তার দুটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অ্যাপলের একজন স্বীকৃত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার বিশেষজ্ঞ। তবে উন্নত দেশগুলোর এতসব অর্জন তাকে ভিনদেশে আটকে রাখতে পারেনি। গত ১০ বছর ধরে ‘বাংলাদেশ বেওয়ারিশ ফাউন্ডেশন’ নামের মানবসেবী সংস্থার মাধ্যমে সিলেটসহ দেশের ৬৪ জেলায় তিনি অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
এই ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে তিনি সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক বেওয়ারিশ মানুষের চিকিৎসা করিয়েছেন, ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন, দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি। এছাড়া বেশ কিছু মাদরাসায় ফ্রি পাঠদান ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে মইনুল বাকরের এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার তিনি সিলেট-৩ আসনে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জে ধারাবাহিকভাবে চলছে তাঁর প্রতীক কম্পিউটারের সমর্থনে উঠানবৈঠক, পথসভা, মতবিনিময় সভা, গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ।
ভোটাররা বলছেন- ইতোমধ্যে ৩ উপজেলায়-ই বেশ সাড়া ফেলেছেন প্রার্থী মইনুল বাকর। ভোটারদের মুখে মুখে এখন তাঁর আলোচনা।
তিনি এবারই প্রথম প্রার্থী নন, ১৯৯৬ সালে সিলেট-২ আসন থেকে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। এরপর আর নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই এবার সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ) আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন।
মইনুল বাকর বলেন, ‘দেশে ফিরে আমি দেখি আমার এলাকার মানুষ এখনো অবহেলিত। নদী ভাঙন, রাস্তাঘাটের দুরবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সংকট প্রকট। আমি এসব আর দেখতে চাই না। তাই মানুষ ভালোবেসে আমার পক্ষে রায় দিলে সংসদে গিয়ে সিলেট-৩ আসনের অবহেলিত জনপদের পক্ষে কথা বলবো।’
তিনি বলেন- আমার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। অর্থ বা ক্ষমতার লোভও নেই। আমি চাই যোগ্যতা, সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে মানুষের সেবা করতে।
তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মইনুল বাকর কম্পিউটার প্রতীককে বিজয়ী করতে সিলেট-৩ আসনের ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করেছেন এবং দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন।