কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :
সিলেটে ফিরেছেন সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। ছিলেন ঢাকায়। গিয়েছিলেন খালি হাতে, ফিরেছেন দলীয় টিকেট নিয়ে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক দুইবারের জনন্দিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি ফ্লাইেটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। সেখানে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ঢল নামে।
বিমানবন্দরেই তাঁর কর্মী-সমর্থকরা ‘আরিফ ভাই’ ‘আরিফ ভাই’, ‘গোয়াইনঘাটে ধানের শীষ’, ‘কোম্পানীগঞ্জে ধানের শীষ’, ‘জৈন্তাপুরে ধানের শীষ’- ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকেন।
বিমানবন্দর থেকে আরিফুল হক চৌধুরী সোজা চলে যান নিজ বাসায়, মায়ের দোয়া নিতে।
পরে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীর সঙ্গে সৌজন্যসাক্ষাতে বেরিয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।
সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করবেন সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। দলের সিদ্ধান্তে প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি এ আসনের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি কওমি কণ্ঠকে নিজে নিশ্চিত করেছেন আরিফুল হক।
বুধবার রাত ১০টা পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে খালেদা জিয়া ও ভার্চুয়ালি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যার তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়।
এসময় চেয়ারপারসনের নির্দেশে আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) সংসদীয় আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন- দলের চেয়ারপার্সনের নির্দেশ আমি কখনোই উপেক্ষা করতে পারবো না, তাই সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি।
আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তবে সোমবার (৩ নভেম্বর) বিএনপিঘোষিত ২৩৭টির মধ্যে সিলেট-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নাম দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এর পরদিনই (৪ নভেম্বর) আরিফুল হক চৌধুরী কেন্দ্রের জরুরি তলবে ঢাকায় যান। সেখানে তাঁকে নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়, প্রস্তাব দেওয়া হয় সিলেট-৪ আসনে লড়াই করার। তবে তিনি না মানায় সবশেষ আজ রাত ৮টায় বিএনপি চেয়ারপার্সন তাঁকে ডেকে পাঠান নিজ বাসভবনে। সেখানে রাত ১০ পর্যন্ত আলোচনা হয়। এতে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন তারেক রহমান। রাত সোয়া ১০টার দিকে সিলেট-৪ আসন মেনে নিয়ে খালেদা জিয়ার বাসভবন ছাড়েন ক্যারিশম্যাটিক নেতা-খ্যাত আরিফুল হক চৌধুরী।