কওমি কণ্ঠ ডেস্ক :
সিলেটে দুই যুবকের কাছ থেকে পুলিশের ওয়াকিটকি উদ্ধারের ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জে ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামরুল আলমকে ক্লোজড (সাময়িক বরখাস্ত) করা হয়েছে।
তদন্তে আটককৃতদের সাথে ওই এসআইয়ের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে সাসপেন্ড করা হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কোম্পানীগঞ্জের পাথর কোয়ারি এলাকায় পাথর লুটপাটের কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান জোরদার করে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পাড়ুয়া এলাকায় অভিযানের সময় একটি চায়নিজ কুড়াল উদ্ধার করেন এসআই কামরুল। অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধারকৃত কুড়ালটি থানায় জমা না দিয়ে তিনি নিজের ব্যবহৃত গাড়িতে রাখেন।
পরে জব্দ করা কুড়াল জব্দ না দেখিয়ে ও ওয়াকিটকিসহ ওই প্রাইভেট কারে গ্যাস আনতে স্থানীয় দুই যুবক জুনায়েদ ও লিটন মাহমুদ—সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন। পথে বিমানবন্দর থানা এলাকায় তল্লাশির সময় গাড়ি থেকে ওয়াকিটকি ও চায়নিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করে ‘ডাকাতির প্রস্তুতি’ অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ঘটনার প্রেক্ষিতে বিমানবন্দর থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওয়াকিটকি ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামরুল আলমের বলে তিনি স্বীকার করেছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে নিয়ম অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক দুই যুবকের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং প্রকৃত ঘটনা তদন্তসাপেক্ষে উদঘাটন করা হবে। তবে আটক জুনায়েদ ও লিটনের পরিবারের দাবি, তারা ষড়যন্ত্রের শিকার।
জুনায়েদের বড় ভাই শিব্বির আহমদ বলেন, আমার ভাইকে গ্যাস আনতে পাঠানো হয়েছিল। পরে জানতে পারি পথে পুলিশ আটক করেছে।
লিটনের বড় ভাই কবির আহমদও অভিযোগ করেন, সহযোগিতা করতে গিয়ে উল্টো মামলায় জড়িয়ে পড়েছে।